উৎপাদন বন্ধ থাকা তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ারদর বেড়েছে ৫৩ শতাংশ

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের কারখানা ২০২৪ সালে ২১ অক্টোবর পরিদর্শনে গিয়ে এর কার্যক্রম বন্ধ পান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কর্মকর্তারা।

২০২৩ সালের পর থেকে কোম্পানিটি কোনো আর্থিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করছে না। এমন অবস্থার মধ্যেও গত সপ্তাহে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৫৩ শতাংশ।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহ শেষে ডিএসইতে তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ারদর ৫ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সা। মূলত ২ আগস্ট থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী। সেদিন ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা। সে হিসাবে দুই সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

নিয়ম অনুসারে, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলে তা স্টক এক্সচেঞ্জকে অবহিত করতে হয়। কিন্তু কোম্পানিটি তা করেনি। ডিএসইর পরিদর্শক দল পরিদর্শনে গিয়ে কারখানাটির সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত অবস্থায় দেখতে পায় এবং সেগুলোয় মরিচাও ধরেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৩ সালের এপ্রিলে ডিএসইকে তথ্য দিয়েছে তুং হাই নিটিং। এ সময় কোম্পানিটির ২০২২-২৩ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) তথ্য জানানো হয়। তথ্য অনুসারে, ২০২২-২৩ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ১৭ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ লোকসান ছিল ২১ পয়সা। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা।

সর্বশেষ ২০১৫-১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। তার আগে ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ ও ২০১২-১৩ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১০৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ৩০। এর মধ্যে ৩০ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক ৫৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬২ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও